chtblog

অশান্ত পাহাড়ের চিত্র

পাহাড়ে হয়ত প্রতিনিয়ত শুনে থাকবেন পাহাড়ি নারী ধর্ষণ, গনহত্যা, জমি নিয়ে বিরোধ তারপর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এরপরও আমাদের জুম্ম সমাজ আশা রেখেই চলেছে যে এইসব বন্ধ হবে একদিন না একদিন। এরা সবাই এক মনের মানুষ। বলতে গেলেই সহজসরল। সেই ১৯৭১ সালের দিকে তাকিয়ে দেখলে গা শিউরে ওঠে। মনে মনে বলি সেই অর্জিত স্বাধীনতা কি আজ হারিয়ে যেতে বসেছি? মা হল একটা জাতির প্রতীক। অথচ সেই ৭১ এর আগে যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছিল সেখানে পাক বাহিনী তাদের দ্বিতীয় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল বাঙালি নারীকে ধর্ষণ। আমাদের সেই ৭১ এর মাঝেইই সীমাবদ্ধ রেখেছে। ১৯৯৮ এর দিকে তাকাই এবার ... শান্তিবাহিনী নামক এক বিরল যোদ্ধাদের হাত থেকে কেড়ে নিয়েছিল তাদের স্বাধীনতার অস্ত্র। বলেছিল... তোমাদের অধিকার তোমাদের দেওয়া হবে। অথচ ১৭ বছরেও অধিকার পায়নি.বরং কেড়ে নিয়েছে হাজারো পাহাড়ি নারী। এখানকার নারীরা কোনভাবেই নিরাপদ নয়.. বাড়ি থেকে একটু দুরেও পর্যন্ত বের হতে পারে না,প্রায় সময় নিজের বাড়িতেই পর্যন্ত ধর্ষনের স্বীকার হয়। এ দেশের আইন আমাদের জন্য নেগেটিভ। আমরা কোনদিন বলিনি আমরা দেশ ভাগ করতে চাই... আমরা একটা স্বাধীন পার্বত্য এলাকা গড়তে চাই। নিজেদের ভিটেমাটি ফিরে পেতে চাই। আবার শান্তিবাহিনীদের কেউ কেউ সন্ত্রাসী বলেও আখ্যায়িত করে থাকে। আসলে পাহাড়ে যে সমস্ত অস্থায়ী বাঙালি আছে.. তারা জানে যে শান্তিচুক্তি আসলে কি! আর কেউ কেউ জেনেও না জানার ভান করে গালিগালাজ করে...তাহলে কি সেদিন মুক্তিযোদ্ধারাও সন্ত্রাসী? আপনার উত্তর অবশ্যাই! না ! একটা জাতিকে রক্ষা করতে তাদের পিছনে নিজস্ব বাহিনী রয়েছে।